• ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহিপুর ভূমি অফিসে নামজারি ঘিরে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, টাকা না দিলে ঝুলে থাকে আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুন ২৩, ২০২৬, ২৩:৩৩ অপরাহ্ণ
মহিপুর ভূমি অফিসে নামজারি ঘিরে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য, টাকা না দিলে ঝুলে থাকে আবেদন
সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক :  সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নামজারি (মিউটেশন) নিষ্পত্তি হওয়ার কথা। কিন্তু পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বাস্তব চিত্র যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এমনটাই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ না করলে অধিকাংশ আবেদন সময়মতো নিষ্পত্তি হয় না। বরং আবেদনকারীদের দিনের পর দিন ঘুরতে হয়, তদন্ত প্রতিবেদন আটকে রাখা হয়, নানা অজুহাতে ফাইল ঝুলিয়ে রাখা হয়, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবেদন বাতিলও করা হচ্ছে। এসব অভিযোগকে কেন্দ্র করে পুরো মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে একটি সংঘবদ্ধ দালালচক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী, স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ না করলে অধিকাংশ আবেদন সময়মতো নিষ্পত্তি হয় না। বরং আবেদনকারীদের নানা অজুহাতে ঘুরানো, তদন্ত প্রতিবেদন বিলম্বিত করা কিংবা আবেদন বাতিলের মতো অভিযোগও রয়েছে।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মহিপুর ইউনিয়ন ভ‚মি অফিসের দুই তহশিলদার মোহাম্মদ আসিফ নূর ও তাফিমুল ইসলামকে ঘিরেই একটি প্রভাবশালী দালাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে। এই নেটওয়ার্কে অফিসের কয়েকজন কর্মচারী, চুক্তিভিত্তিক নৌশ প্রহরী (নাইড গার্ড) মোঃ জাকির, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মনিরুজ্জামান, অফিস সহায়ক জুবায়ের হোসেন, অফিস সহায়ক মাসুদ রানা, দলিল লেখক (ভেন্ডার), বেসরকারি সার্ভেয়ার এবং স্থানীয় দালালদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে অফিস সহায়ক জুবায়ের হোসেনকে তার পূর্বের কর্মস্থল দশমিনা থেকে তদবির করে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নিয়ে আসেন তহশিলদার মোহাম্মদ আসিফ নূর। এছাড়া বহিরাগত দালালদের মধ্যে অন্যতমরা হলেন কুয়াকাটার স্থানীয় বাসিন্দা বেসরকারী সার্ভেয়ার গনি, নিলগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম, নীলগঞ্জ পাখিমারার বাসিন্দা সার্ভেয়ার আমানউল্লাহ, কলাপাড়া পৌরসভার মধ্যে উকিলপট্টি এলাকার দলিল লেখক (ভেন্ডার) মোঃ সালাম, আলমগীর খান, শাজাহান সিরাজ, মোশাররফ, আলমগীর সহ আরও অনেকে এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ  সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ লেনদেন না করলে নামজারি আবেদন বিভিন্ন পর্যায়ে আটকে দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় আপত্তি তোলা কিংবা দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখার মতো ঘটনা প্রায় নিয়মিত হয়ে উঠেছে। মহিপুর ভূমি অফিসে নামজারিকে কেন্দ্র করে দালালচক্র, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রশাসনিক অনিয়মের এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

 

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সাধারণ একটি নামজারি সম্পন্ন করতে সরকারি ফি বাদে সর্বনিম্ন ৮ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়। জটিল বা পুরোনো দলিলের ক্ষেত্রে খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দালাল চক্রের মাধ্যমে কাজ করলে ফাইল দ্রুত অগ্রসর হলেও সরাসরি আবেদনকারীরা নানা হয়রানির শিকার হন। সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে প্রতিটি ফাইলে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করলে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারির আবেদন নিষ্পত্তি হয় না। বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে প্রায় ২০ জন দালাল সক্রিয় রয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে স¤প্রতি তিনটি নামজারি আবেদন বাতিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, ক্রয় সূত্রে মালিক সম্পত্তির নামজারির জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা এম.কায়সার রহমানের পূত্র মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন গত ১৮ মে কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে নাম জারির জন্য আবেদন করেন (আবেদন নং-৪১২০১৪৯), ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার শাহীনবাগ এলাকার বাসিন্দা মোঃ সফিকুর রহমানের পূত্র মোঃ ওবায়দুল রহমান গত ১৯ মে কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে নাম জারির জন্য আবেদন করেন (আবেদন নং-৪১২২২২২), ঢাকা শান্তিনগর রমনা ৯নং বেইলি রোডের বাসিন্দা আব্দুল কাদেরের পূত্র উলফাত কাদের গত ২৪ মে কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে নাম জারির জন্য আবেদন করেন (আবেদন নং-৪১৩৪৩১৫)। সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী আবেদনগুলো তদন্তের জন্য মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করে আবেদনগুলো দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে ২৮ দিনের বেশি সময় অতিবাহিত হওয়ার পর অনলাইনে আবেদনগুলো ‘না-মঞ্জুর’ দেখানো হলেও সেখানে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

আবেদনকারীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তা স্বীকার করেননি। সূত্রে জানাগেছে, বরগুনা জেলার পাথরঘাটার বাসিন্দা মোহাম্মদ আসিফ নূর ২০২৪ সালের ৮ জানুয়ারী কলাপাড়া উপজেলার খেপুপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে চাকরিজীবন শুরু করেন। বিভিন্ন সূত্রের দাবী, চাকরিতে ঢুকেই বেপরোয়াভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরলে ২০২৫ সালের ২৯ অক্টোবর পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৩১.১০.৭৮০০.০০৯.০১.৫৪৭.১৭.-১৪০৮ নম্বর স্মারকে মোহাম্মদ আসিফ নূরকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার গাবুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়। সেখানে যোগদানের মাত্র ৫ মাসের মাথায় তদবীরের মাধ্যমে মির্জাগঞ্জ উপজেলার গাবুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে বদলি হয়ে ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যোগদান করেন তহশিলদার মোহাম্মদ আসিফ নূর। একাধিক অসমর্থিত সূত্র নিশ্চিত করেছে মোহাম্মদ আসিফ নূরকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার গাবুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন পর্যটন এলাকা সাগর কন্যা কুয়াকাটার মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করতে মুখ্য ভুমিকা রাখেন বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোঃ আহসান হাবিব (যুগ্ম সচিব)।

বিষয়টি স্বীকার করে মোঃ আহসান হাবিবের আপন মামাতো বোনের পূত্র নজরুল ইসলাম বলেন, মহিপুর ভূমি অফিসের তহশিলদার মোহাম্মদ আসিফ নূর খুব ভালো মানুষ, সে খেপুপাড়া চাকরিকালীন সময়ে আমার কোন কাজে টাকা রাখেনি। তিনি ৪০তম বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছিলেন, কিন্তু ক্যাডার না হওয়ায় নন বিসিএস-এ তহশিলদার হয়েছেন। তিনি উচ্চ শিক্ষিত হওয়ায় আমার মামা (আহসান হাবিব) তাকে উপজেলার মধ্যে রেখেছেন (কল রেকর্ড সংরক্ষিত আছে)। জানাগেছে, বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আহসান হাবিবের বাড়ি কলাপাড়া উপজেলার তেগাছিয়া ইউনিয়নের নিলগঞ্জে। তার আপন মামাতো বোনের পূত্র নজরুল।

একাধিক সূত্রের দাবী বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন তহশিলদারকে পছন্দমত ভূমি অফিসে বদলি করতে ভূমিকা রাখছেন এক যুগের বেশি বরিশালে থাকা বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আহসান হাবিব।

 

নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে তহশিলদার মোহাম্মদ আসিফ নূরকে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আহসান হাবিবের পছন্দে মির্জাগঞ্জ উপজেলার গাবুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে।

 

ঐ সূত্রটি আরও দাবী করেছে, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সাবেক সার্ভেয়ার বর্তমানে বরগুনা ডিসি অফিসের কানুগো মোশারফ সম্প্রতি বদলি হয়ে পটুয়াখালী ডিসি অফিসে আসতে বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আহসান হাবিবের দারস্থ হন। কিন্তু এই মোশারেফের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ থাকায় বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ তার পটুয়াখালী ডিসি অফিসে ফিরে আসার বদলি আদেশে স্বাক্ষর করেননি বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিতর্কিত এই মোশাররফ তার পুরো চাকরি জীবন পটুয়াখালী জেলায় কলাপাড়া উপজেলা সহ আশপাশের উপজেলায় কাটিয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, কাগজপত্রে কোনো জটিলতা না থাকলেও মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে নামজারির প্রস্তাব পাঠাতে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। প্রস্তাব উপজেলা ভ‚মি অফিসে পৌঁছানোর পর চূড়ান্ত অনুমোদন ও খতিয়ান সংগ্রহের ক্ষেত্রে আরও প্রায় তিন হাজার টাকা আদায় করা হয়। সরকারি ফি ১,১০০ টাকা হলেও বাস্তবে খরচ তার ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি।

একাধিক সূত্রের দাবি, মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কাগজপত্রে জটিলতা না থাকলেও ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নামজারির প্রস্তাব পাঠাতে এবং পরে চূড়ান্ত অনুমোদন ও খতিয়ান সংগ্রহের বিভিন্ন ধাপে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। যদিও এ অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি, তবুও ভুক্তভোগীদের একাধিক বক্তব্যে একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নামজারি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, দালালচক্রের সক্রিয়তা, আবেদন নিষ্পত্তিতে বিলম্ব এবং প্রশাসনিক অনিয়মের যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভ‚মি সেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে নামজারি নিষ্পত্তি নিশ্চিত এবং দালালমুক্ত ভূমি সেবা প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি এখন সময়ের দাবি।

 

এসব অভিযোগের বিষয়ে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর বলেন, “আমার বিষয়ে জানতে এসিল্যান্ড স্যারের সঙ্গে কথা বলেন। আমি বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে তদন্তে আছি।” এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

 

মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী কর্মকর্তা তাফিমুল ইসলামের ব্যবহৃত নাম্বারে কল দেয়া হলে তিনি সাড়া দেয়নি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, দালালচক্রের বিরুদ্ধে কলাপাড়াতে ৩টি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে, অভিযোগ পেলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।

বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আহসান হাবিব তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার গ্রামের বাড়ির আত্মীয় নজরুল ইসলাম কী করেন, সেটি আমার জানা নেই। আমাকে ও নজরুলকে জড়িয়ে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সত্য নয়। তবে মোহাম্মদ আসিফ নূরের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাকে মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে বদলি করা হবে।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের নাম্বারে ও পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর সরকারি মোবাইল নাম্বারের হোয়াটসঅ্যাপে লিখিতভাবে প্রশ্ন পাঠানো হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বি.দ্র: এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি। © জনতার বরিশাল