নিজস্ব প্রতিবেদক : বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত ‘কিয়স্ক’ মেশিনটি সর্ব-সাধারণের কাজে আসছেনা। জনসাধারণের দূর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে ২০২২ সনের ডিসেম্বর মাসে ভূমিমন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে বরিশাল জেলাপ্রশাসকের রেকর্ড রুমের মহফেজ খানায় ‘কিয়স্ক’ মেশিনটি স্থাপন করা হয়।মেশিন পরিচালনায় অপারেটর থাকার কথা থাকলেও সেটি চালাচ্ছেন একজন ব্যক্তি।
সরকারি কোন স্টাফ না হওয়ায় মনগড়া ভাবে মেশিন চালিয়ে জনসাধারণের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। কোন ধরনের স্টাফ না হয়েও নিজ নামে নেইম ফলক লাগিয়ে এমন কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় সরকারী অফিসের ভাবমূর্তি নস্ট হচ্ছে দাবী করেন অনেকে।
সুত্রে জানাযায়, নিজ নামে সাইনবোর্ড লাগানো ‘কিয়স্ক’ মেশিন অপারেট ইমন মোল্লা ততকালীন বরিশাল সদর সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ তরিকুল ইসলামের লোক হওয়ায় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মেশিন অপারেটরের দায়িত্ব নেয়। রেকর্ড রুমে ‘বি এস, এস এ,আরএস’সহ বিভিন্ন পর্চার সার্টিফাই কপি আবেদনের নামে নির্দিষ্ট পরিমানের বাহিরে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে ভুক্তভোগীদের কাছ হতে।
কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, অপারেটর ইমন মোল্লা চাহিদা পরিমান টাকা না দিলে সঠিক সময়ে নকল পাওয়া যায় না।
এ ব্যাপারে ভার প্রাপ্ত রেকর্ড কিপার সাইদুর রহমান বলেন- আমার জানামতে ইমন একটি প্রকল্পের ছিলো তবে সে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে। নকল সরবরাহে অতিরিক্ত ফি নেয়ার সুযোগ নেই।’
এ ব্যপারে মেশিন অপারেটর দাবীদার ইমন মোল্লার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোনদিলেও তিনি রিসিভ করেননি।