• ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় ভূমি অফিসে ‘ঘুষের দৌরাত্ম্য’র অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ২২:৩০ অপরাহ্ণ
কলাপাড়ায় ভূমি অফিসে ‘ঘুষের দৌরাত্ম্য’র অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
সংবাদটি শেয়ার করুন....

নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ৮ নম্বর ধানখালী ইউনিয়নের হাসপাতাল রোড, সোমবাড়িয়া বাজার সংলগ্ন ভ‚মি অফিসে সেবা নিতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে তহশিলদার মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এক ভুক্তভোগী ছোলাবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফারুক গাজীর পুত্র আবু বকর গাজী চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক, পটুয়াখালী বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি ইতোমধ্যে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট তহশিলদার ২০২২ সালের ২২ অক্টোবর যোগদানের পর থেকে দীর্ঘ সময় একই ইউনিয়নে দায়িত্ব পালন করছেন। এই সুযোগে তিনি বিভিন্ন সেবার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। খাজনা প্রদান, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন করসহ বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি ফি’র বাইরে অর্থ দাবি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, অনেক ক্ষেত্রে অর্থ প্রদান না করলে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে বিলম্ব বা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে অর্থ গ্রহণের পরও সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পন্ন না করার অভিযোগ রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, জমি সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রদানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত তহশিলদার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “যিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন, তাকে আমার সামনে নিয়ে আসুন। আমি তার কাছ থেকে জানতে চাই, তিনি এসব তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন।”

তিনি আরও দাবি করেন, “২০২৪-২৫ অর্থবছরে পটুয়াখালী জেলায় ভ‚মি উন্নয়ন কর আদায়ে আমি প্রথম স্থান অর্জন করেছি। প্রয়োজনে সহকারী কমিশনার (ভ‚মি)-এর কাছে খোঁজ নিলে বিষয়টি জানা যাবে।”

এদিকে জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া অভিযোগে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই আবেদনের বিষয়ে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা আগামীকাল (আজ) অফিসে খোঁজ নিয়ে বলা যাবে। কোনো স্টেপ নেয়া না হলে এখন যেহেতু জানলাম, অবশ্যই তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ইনশাআল্লাহ।

কলাপাড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসীন সাদেক বলেন, তদন্তসাপেক্ষে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বি.দ্র: এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি। © জনতার বরিশাল