• ৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে গ্রাহকের ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ‘গায়েব’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ৫, ২০২৬, ২৩:২৭ অপরাহ্ণ
পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে গ্রাহকের ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ‘গায়েব’
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স : বাগেরহাট শহরের পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে এক ব্যবসায়ীর প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার গায়েব হওয়ার অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাগেরহাট সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সুমন কুমার দাস নামের ভুক্তভোগী ওই গ্রাহক।

অভিযোগ পেয়ে বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) দুপুরে শহরের খানজাহান আলী সড়কের ব্যাংক শাখা পরিদর্শন করে তদন্তকাজ শুরু হয়েছে বলে জানান বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামীম হোসেন। ঘটনা জানাজানির পর বিকালে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাছান চৌধুরীও ব্যাংক পরিদর্শন করেছেন।

পূবালী ব্যাংকের ওই শাখায় গিয়ে দেখা যায়, সিআইডি, জেলা পুলিশ ও পিবিআইয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত। সেখানে তারা কয়েক ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন।

এ বিষয়ে পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মনিরুল আমিন বলেন, ‘লকার খুলতে দুটি চাবি লাগে। দুটি চাবির একটি গ্রাহকের কাছে, অন্যটি ব্যাংকের কাছে থাকে। অভিযোগকারী গ্রাহকের চাবি তার কাছেই ছিল, যা ছাড়া গ্রাহকের লকার খোলা সম্ভব নয়। এখানে তিনি কী রেখেছিলেন, তার কোনও ঘোষণাও ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে পুরো ঘটনা বেরিয়ে আসবে।’

স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যাওয়া ব্যবসায়ী সুমন কুমার দাসের বাড়ি বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুপারি ব্যবসা করে আসছেন। সুমন কুমার দাস বলেন, ‘ব্যাংকে আমার একটি লকার আছে। সেখানে গত বছরের ১৫ অক্টোবর আমার মা, খালা, ভাই, স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন আত্মীয়ের প্রায় ২০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার একটি বাক্সে জমা রাখি। বুধবার বাড়িতে পারিবারিক একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেজন্য ব্যাংকে এসে লকার খুলে দেখি কোনও স্বর্ণালঙ্কার নেই। লকার খালি। আমি বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেছি। তারা তদন্ত করছে।’

এদিকে, ব্যাংকের লকার থেকে গ্রাহকের রাখা মালামাল খোয়া গেছে—এমন খবর পেয়ে লকার ব্যবহারকারী অনেক গ্রাহকই ব্যাংকে ছুটে আসেন। তারা তাদের লকার খুলে দেখেন।

পূবালী ব্যাংকের এই শাখার লকার ব্যবহারকারী শহরের নাগের বাজার ও আমলাপাড়া এলকার দুজন গ্রাহক জানান, লকার থেকে একজন গ্রাহকের স্বর্ণালঙ্কার গায়েব হয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে এসেছেন। এই ব্যাংকের লকারে তাদের পরিবারের স্বর্ণালঙ্কার রাখা আছে। খুলে দেখেছেন, সব ঠিকঠাক আছে।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামীম হোসেন বলেন, ‘ব্যাংকের লকার থেকে থেকে স্বর্ণালঙ্কার খোয়া গেছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। তদন্ত শেষে স্পষ্ট হওয়া যাবে বিষয়টি। তবে লকারটি আমরা সুরক্ষিত পেয়েছি। ব্যাংকের সুরক্ষিত লকার থেকে কীভাবে বিপুল পরিমাণ অলঙ্কার খোয়া গেলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।’

বি.দ্র: এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি। © জনতার বরিশাল