নিজস্ব প্রতিবেদক : পটুয়াখালীর দুমকীতে বিএনপি নেতা মো. খলিলুর রহমান জোমাদ্দারকে মারধর করে আহত করার অভিযোগে সাবেক ছাত্রদল নেতা মো. সফিকুল ইসলাম ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুমকী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম উদ্দিন।
আহত খলিলুর রহমান উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। গ্রেপ্তার ইমরান একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জলিল হাওলাদারের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ অক্টোবর সকালে উপজেলার তালতলী বাজারের একটি দোকানে বসে মোবাইলে কথা বলছিলেন খলিলুর রহমান। এ সময় রাকিব ও ইমরানসহ কয়েকজন তাঁকে উদ্দেশ্য করে গালাগাল করেন। এর প্রতিবাদ করলে কথা—কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে কিল—ঘুষি মেরে আহত করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও ব্যবসায়ী জানান, হামলার সময় চার—পাঁচজন ছিলেন। ব্যবসায়ীরা এগিয়ে গেলে তাঁরা মোটরসাইকেলে করে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন আহত খলিলুর রহমানকে দুমকী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় ওই দিনই খলিলুর রহমান বাদী হয়ে দুমকী থানায় মামলা করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও সাত—আটজনকে আসামি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ইমরান এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার এক নম্বর আসামি মো. রাকিব। তাঁর দাবি, ছাত্রদলের কয়েকজন বালুর ড্রেজারের লাইন বসাতে গেলে খলিলুর রহমান বাধা দেন এবং টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে কথা—কাটাকাটির একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কি হলে খলিলুর রহমান সড়কে পড়ে আহত হন। তাঁকে কেউ আঘাত করেননি।
ওসি মো. সেলিম উদ্দিন জানান, ইমরানকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।