• ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রেফতার, জেল, এমনকী মৃত্যুর ভয়ও নেই! ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরতে মরিয়া শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত নভেম্বর ৫, ২০২৬, ২০:২৪ অপরাহ্ণ
গ্রেফতার, জেল, এমনকী মৃত্যুর ভয়ও নেই! ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফিরতে মরিয়া শেখ হাসিনা
সংবাদটি শেয়ার করুন....

অনলাইন ডেক্স : এপি—কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, “মৃত্যু যদি আমার নিয়তি হয়, তা হলে নিজের দেশের মাটিতে, নিজের মানুষের মধ্যে থেকেই মরতে চাই।” তাঁর কথায়, দূর থেকে দেশের মানুষের কষ্ট দেখতে দেখতে বাকি জীবন কাটাতে পারবেন না তিনি। তাই বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশে ফিরলে গ্রেফতার হতে পারেন, সে বিষয়েও সচেতন হাসিনা। তাঁর দাবি, দেশে ফেরার পর তাঁকে জেলে পাঠানো হতে পারে। এমনকী তাঁর উপর অত্যাচার হতে পারে কিংবা প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে। কিন্তু এই সম্ভাবনাগুলি তাঁকে নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরাতে পারবে না। তবে দেশে ফেরার নির্দিষ্ট দিন বা যাত্রাপথ সম্পর্কে কোনও তথ্য দেননি তিনি।প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন ব্যাপক আকার নেয়। আন্দোলনের জেরে ক্ষমতা হারান শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসেন তিনি। তারপর থেকে ভারতেই রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা

২০২৫ সালে বাংলাদেশের একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে তাঁর সরকারের ভূমিকার জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী দমন—পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার জন্য হাসিনাকে দায়ী করে ট্রাইব্যুনাল।জাতিসংঘের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই সময় বাংলাদেশে প্রায় ১,৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসিনা। ট্রাইব্যুনালের রায়ও মানতে নারাজ তিনি। বিচারপ্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।এদিকে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য একাধিকবার ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছে ঢাকা। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়নি ভারত।

ক্ষমতায় তারেক রহমান, অনিশ্চয়তায় আওয়ামী লীগ

হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় ১৮ মাস তাঁর নেতৃত্বেই অন্তর্বর্তী প্রশাসন পরিচালিত হয়। এরপর ইউনূস সরকারের অধীনে ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে নির্বাচন হয়।সেই নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসেন তারেক রহমান। তিনি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরেই শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত তারেক। নির্বাচনে হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দলটির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। একাধিক শীর্ষ নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। অনেকে আবার দেশ ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

এপি—কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, “মৃত্যু যদি আমার নিয়তি হয়, তা হলে নিজের দেশের মাটিতে, নিজের মানুষের মধ্যে থেকেই মরতে চাই।” তাঁর কথায়, দূর থেকে দেশের মানুষের কষ্ট দেখতে দেখতে বাকি জীবন কাটাতে পারবেন না তিনি। তাই বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশে ফিরলে গ্রেফতার হতে পারেন, সে বিষয়েও সচেতন হাসিনা। তাঁর দাবি, দেশে ফেরার পর তাঁকে জেলে পাঠানো হতে পারে। এমনকী তাঁর উপর অত্যাচার হতে পারে কিংবা প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে। কিন্তু এই সম্ভাবনাগুলি তাঁকে নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরাতে পারবে না। তবে দেশে ফেরার নির্দিষ্ট দিন বা যাত্রাপথ সম্পর্কে কোনও তথ্য দেননি তিনি।প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলন ব্যাপক আকার নেয়। আন্দোলনের জেরে ক্ষমতা হারান শেখ হাসিনা। এরপর বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসেন তিনি। তারপর থেকে ভারতেই রয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা

২০২৫ সালে বাংলাদেশের একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। ২০২৪ সালের আন্দোলন দমনে তাঁর সরকারের ভূমিকার জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী দমন—পীড়নের নির্দেশ দেওয়ার জন্য হাসিনাকে দায়ী করে ট্রাইব্যুনাল।জাতিসংঘের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই সময় বাংলাদেশে প্রায় ১,৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসিনা। ট্রাইব্যুনালের রায়ও মানতে নারাজ তিনি। বিচারপ্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।এদিকে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য একাধিকবার ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছে ঢাকা। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়নি ভারত।

ক্ষমতায় তারেক রহমান, অনিশ্চয়তায় আওয়ামী লীগ

হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেন নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় ১৮ মাস তাঁর নেতৃত্বেই অন্তর্বর্তী প্রশাসন পরিচালিত হয়। এরপর ইউনূস সরকারের অধীনে ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে নির্বাচন হয়।সেই নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়ে ক্ষমতায় আসেন তারেক রহমান। তিনি বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরেই শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত তারেক। নির্বাচনে হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি।বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দলটির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। একাধিক শীর্ষ নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। অনেকে আবার দেশ ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে আওয়ামী লীগের নেতা—কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগও তুলেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের অগস্ট মাসের পর থেকে অন্তত ২০ হাজার আওয়ামী লীগ কর্মীকে খুন করা হয়েছে। হাজার হাজার নেতা—কর্মীকে গ্রেফতার, অত্যাচার এবং ঘরছাড়া করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বহু সমর্থক নিজেদের বাড়ি, ব্যবসা এবং জীবিকা হারিয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।হাসিনার কথায়, বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাভাবিক রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। তাঁর দলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।অন্যদিকে, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জানিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলেই সরকারের বক্তব্য।

বাংলাদেশে উগ্রপন্থীদের প্রভাব বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ (ঝযবরশয

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, দেশে কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলির প্রভাব বাড়ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই এই ধরনের গোষ্ঠীগুলি আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর। সংখ্যালঘুদের উপর ভয় দেখানো এবং উদারপন্থী রাজনৈতিক শক্তিকে চাপে রাখার অভিযোগও উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ—সহ একাধিক সংগঠন সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। তবে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। বর্তমান সরকারও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে। এ প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে উগ্রপন্থী শক্তিগুলি আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। উল্লেখ্য, ক্ষমতায় থাকার সময় উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি।বাংলাদেশে ফেরার জন্য আমেরিকা বা ভারতের মতো কোনও দেশের সাহায্য চাইছেন কি না, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন হাসিনা। তাঁর বক্তব্য, সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক বজায় রাখাই বাংলাদেশের বিদেশনীতি। তবে নিজের দেশে ফেরার জন্য কোনও বিদেশি শক্তির আশীর্বাদ বা সুরক্ষার প্রয়োজন নেই।

বি.দ্র: এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি। © জনতার বরিশাল