নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলায় পৃথক ঘটনায় চৈতী রানী দাস (১৯) ও রিজিয়া বেগম (৭০) নামের দুই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার ( ৯ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত ভোলা সদর ও লালমোহন উপজেলার পৃথক দু’টি জায়গা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এরমধ্যে, রবিবার রাতে চৈতী রানী দাস নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি ভোলা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সুভাস চন্দ্র দাসের স্ত্রী।
চৈতীর বড় জা সুপ্রিয়া দাস জানান, প্রতিদিনের মত রবিবার রাতের খাবার খাওয়ার পর ঘুমাতে যান চৈতী রানী দাস। এরপর পরিবারের সদস্যরা প্রয়োজনে তাকে ডাক দেন। পরে তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখেন জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু শাহাদাৎ হাচনাইন পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় লাশ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
অপরদিকে, সোমবার সকালে লালমোহনের উত্তর ফুলবাগিচা এলাকার একটি পুকুর থেকে রিজিয়া বেগম নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি লালমোহন পৌরসভার একজন পরিচ্ছন্নকর্মী ছিলেন।
জানা গেছে, ভোরে কাজের উদ্দেশ্য বাসা থেকে বের হন রাজিয়া বেগম। এরপর তাকে পুকুরের পানিতে ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে স্ট্রোকজনিত কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’